26 February 2015

25th February .... A day I shall never be able to wipe out from my life...

25th February .... A day I shall never be able to wipe out from my life...
Out of 57 casualty I personally knew 26 of them including 8 from own batch / course ..
Lost one of my best friends colonel nafiz ahmed .. ( I named my nephew nafiz in his memory)... He was a very complicated person to be a friend ... but I sailed ...We bonded in bogra ....and BMA ( he dragged me 1st... and was ruthless whilst pulling me by my leg ....because showing sympathy might land him in my place)..... 
Zahid ....elahi.... boltu. .. reza( I took care of ur son... least I cud do).....em dad and kaiser ( my bodda gom achona bazi).... mokbul .....and others ....
May your souls rest in eternal peace for ever...
Why THOSE KILLERS WERE SO BARBARIC TO YOU... I CAN NOT GET MY HEAD AROUND IT... WE are such a barbaric nation....
But I know ...u gentlemen died for no fault of yours 
I know who is to blame ....who systematically wanted dumping ground of its load and encapsulate the whole of it.... They have cheated those bdr poor chaps .... their demands were ignored and they were used as near enough slaves ... 
You paid for the outburst of their desperation and dissatisfaction and some internal vested quarter both military and civil helped those people too ...
But you guys are the recently posted sacrificial lambs to symbolise the tragedy....
There seems like a planned and wel engineered methodology to douse the blame by apportioning it to a foreign hand ..... The magnitude of persecution, the flame of the dumping ground and it's anger and dissatisfaction instead of being doused ...rose from the phoenix of the ashes of the dragon and mutilated the lot of u burned into charred corpses ..... friend you never deserved it... you were merely doing your jobs....
Heart bleeds every time I talk about it....
No attention is paid to bring some changes in the area to stop brutality and barbaric psychotic exhibition of atrocities.
May we all wish not to ever see this kind of genocide....

21 February 2015

OUT OF BOUND : নিষিদ্ধ যাতায়াত

এপিসোড -৬ 
২১-২-১৫

আউট অফ বাউন্ড : নিষিদ্ধ যাতায়াত 

শহর  ছেড়ে গ্রাম ছাড়া ঐ রাঙামাটির মেঠ পথে - আসলেই সবই সেদিন হারিয়ে গিয়েছিল - একদা প্রশ্ন জাগে - রবি ঠাকুর কেমনে জানতে পেরেছিল একদিন ওই মেঠ পথে সব কিছুই হারিয়ে যাবে। 

পাঘাচং থেকে পায়ে হেটে রেইল লাইন পারি দিয়ে হাটা  সুরু গ্রাম বাংলার অপরূপ রূপের ধুলো গুলো উড়িয়ে - মধ্য বসন্ত - হালকা হালকা কুয়াশা - সুরজো উঠেছে কিন্তু প্রকট নয় - মৃদু মন্দ হওয়া - নিক্ষিপ্ত বিস্তৃত মানুষের চলাফেরা - অনেক চিন্তা করে সিধান্ত হলো  মান্দারপুর নামক এক গ্রামে যেতে হবে - আখাউড়া- কসবা - ব্রাহ্মন বাড়িয়া ও শহর থেকে দুরে বহুদূরে যেখানে কেই চিনবে না।  নিরাপদ আশ্রয় - পথ তো আর ফুরায় না।  

গ্রাম বাংলা - জেগে উঠেছিল সেই দিন - পথিমধ্যে ক্লান্ত পথিকদের পানি দেয়ার জন্য দাড়িয়ে ছিল মেয়েরা - বৃদ্ধ আবাল বনিতা সবার মুখে সেই অমোঘ আওয়াজ - "" জয় বাংলা"" উত্তরে  ক্লান্ততা পূর্ণ  প্রতিউত্তর "জয় বাংলা". সাথে এক পশলা  - এক ফালি হাসি - 

১৯৭১ সাল - বাঙালি জাতির ৪৫০০ বছরের ইতিহাসের এক মহান সাল- এই প্রথম বার বাঙালি জাতি - সমষ্টিগত ভাবে জেগে উঠেছিল স্বাধিকার আদায়ের লড়াইয়ে - এই লড়াই - আমাদের মুক্তির সংগ্রাম , এবাবের সংগ্রাম আমাদের সাধীনতার সংগ্রাম-আর এই স্বপ্নের রূপকার - এই স্বপ্নের আর্কিটেক্ট - এই মুক্তির বীজ বপনকারী - এক মহান বাক্তি যার উনুপ্রেরনায় উনুপ্রানিত হয়েছিল সেই দিন সারে সাত কোটি বাঙালি - সেই আমাদের প্রাণ প্রিয় নেতা '' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।  

১২০৪ সাল থেকে ১৯৭১ সাল এবং তারও আগে অনেক আগ থেকেই এই গঙ্গা ডেল্টা এবং এর আদিবাসীরা কোনো কোনো ভাবে শাসিত হয়ে আসছিল ভিনদেশী শাসক গোষ্টি দ্বারা। 

বঙ্গবন্ধু আমাদেরকে প্রথম দেখালেন সেই স্বাধীনতার সোপান।  তার সেই ব্যারিটন আওয়াজ - আবেগময় - আদেশ - উপদেশ  সেদিন পাথেয় হয়েছিল সমগ্র বাঙালি জাতির একমাত্র মঞ্জিল। 

গ্রামে গ্রামে মাইকে তখনও বাজছিল তার সেই ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ - "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। ........"

পৃথিবীতে অনেক নেতা এসেছেন ও আসবেন কিন্তু 
...শোন মুজিবরের থেকে লক্ষ্য মুজিবরের কন্ঠ। ..............আকাশে বাতাসে উঠে রনি। ....

সেদিনের সেই কষ্ঠ, সেই ভীতি, সেই আরাম আয়েস থেকে নির্বাসন - মৃতুর মুখোমুখি জীবন।  সব কে মনে হয়েছিল তুচ্ছ -  আবার আসবো ফিরে সেই বাংলার তীরে 
মুক্ত স্বাধীন বাংলায় মায়া মমতায় ঘিরে 
এই প্রত্যাশায় ক্লান্ত শাহীন গুটি গুটি পায়ে - অজানা এক জীবনের উদ্দেশে হাটতে থাকলো- ক্ষুধা ও ক্লান্তি বোঝা কাধে নিয়ে। 


20 February 2015

OUT OF BOUND : নিষিদ্ধ যাতায়াত

নিষিদ্ধ যাতায়াত 

 ৭১ এর মার্চের সেই উত্তাল দিনগুলো আজও বার বার ভেসে উঠে মনের দহলিজে। বঙ্গবন্ধুর সেই অগ্নিঝরা উদ্দাত আহ্বান;
সারা দেশে অসহযোগ আন্দোলন- বয়েস অনেক কম কিন্তু -  ১৯৪৬ - ৪৭ - ৫০ তে যার মা সর্বভারতীয় কমুনিস্ট পার্টির সদস্য ছিল  এবং '৪৯ সালে কলকাতা জেলে কয়েকদিন যার কাটাতে হয়েছিল। জেলে বসেই মাট্রিক পরীক্ষা দিতে হয়েছিল ; সেই মায়ের সন্তান এবং সেই পরিবার এ রাজনীতি ছিল একটা নিত্য দিনের আলোচনার প্রধান অধ্যায়। 

সেই খানেই হাতে খড়ি - সেই উত্তাল ৭১ এর দিনগুলোতে যখন এ সুযোগ  পেতাম ভাইজানের সাথে চলে যেতাম মিছিলে আর মিটিং এ ; ব্রাহ্মণ বাড়িয়ার সেই রাজ্নয়্তিক পরিমন্ডল - ছাত্র নেতা হুমায়ুন ভাই- লুত্ফর সাচ্চু, আলী আজম, প্রমুখ দের বকতব্য শুনতাম হিজ মাস্টার ভয়েজের সেই লোগোর মত বসে বসে। 

টি এ রোড , কোর্ট চত্তর, জগত বাজার, কান্দির পার হেটে হেটে সেই ১০ বছর বয়েসেই চষে বেরিয়েছি - চোখে স্বপ্ন, মুখে মুখে স্লোগান, এই ভাবেই হঠাথ সকাল বেলা জানতে পারলাম ২৫ সে মার্চের সেই কালো রাতের মহা প্রলয়ঙ্করী হত্তাযোগ্গের  গল্প। 

চারিদিকে যুদ্ধের দামামা - থমথমে এক বিকট পরিবেশ - আসে পাশের সবাই আস্তে আস্তে রাতের আধারে শহর ছেড়ে কথায় যেন হারিয়ে গেল - সাহসী যারা তারা  তীর - ধনুক- তলোয়ার - কুইচ - বল্লম নিয়ে তৈরী হতে শুরু করলো ডিফেন্স পার্টি। সে এক ভিন্ন ধরনের উনুভুতি- হুমায়ুন ভাই, ইকবাল দাদা, আওলাদ দাদা ভীষণ ভাবে গম্ভীর হযে গেল রাতারাতি।  প্রশাসন চালায় ওরা আর বড় বড় নেতারা ; এস ডি ও - মাজিস্ত্রেট দের কোনো খানা নাই.

কুমিল্লা থেকে আর্মি যাতে না আসতে পারে সাথে সাথে কুর্রুইল্ল্লা খালের  ব্রিজ আর  রাস্তা এক বিশাল গর্ত ; যাতে করে আর্মির গাড়ি সোজা চালিয়ে চলে আসতে না পারে - যেমন করেই হইক ব্রাহ্মন বাড়িয়া শত্রু মুক্ত রাখবে ওরা। 

সকলের অগোচরে - কমার্শিয়াল রোডে দেখা দিল - এক বিশাল আর্মির গাড়ির বহর - প্রথমে মানুষ ভিত সন্ত্রস্থ - এরা এই পথে -  কেমনে পশিলো রাক্ষস পতি ? 

বীর দর্পে বাহুতে  বেঙ্গল টাইগারের সেই বিশাল হা করা মুখের  ছবি ( ১৪ ডিভিসন পাকিস্তান আর্মির ফর্মেসন সাইন ) আর স্কন্ধে লেখা "ইস্ট বেঙ্গল " আমার গায়ের লোম আজও শিহরিয়া উঠে। 

মৃদু পায়ে নেমে এলেন এক চিজেল মুখ সমৃদ্ধ বিশাল এক লম্বা মানুষ ( সেই বয়েসে সবাই কেই মনে হত অনেক লম্বা )
অবাক রাস্তার দুই পাশে দাড়ানো বিচলিত মানুসের মাঝে দাড়িয়ে কথা বললেন -

গগন প্রকম্পিত শ্লোগান আসতে সুর করলো 

ব্রাহ্মন বাড়িয়া স্বাগত জানালো সেই ফোর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ত্রাণকর্তা দের 
এ এক ভিন্ন উনুভুতি- ভাষায় বর্ণনা দেয়া অসম্ভব 

তারপর বাকি কয়েক টি দিন স্বপ্নের মত কেটে গেল 
সব বাসায় বাসায় বাঙ্কার খুড়া , আকাশ থেকে বিমানের গুলি ও গোলা  থেকে  বাচার জন্য বাংকারে ছাদ বানানো - মেতে উঠল সবাই - ইস্ট বেঙ্গল এর সেই দল এর নেতা মেজর খালেদ মোসারাফ। 

২২ জন পাকিস্তানি - বিহারী- ইপিআর - পাঞ্জাবিদের গণ পিটুনিতে ওগ্গা পেতে হলো- সেই উগন প্যারেড সেট বেঙ্গলের ত্রান কর্তারা মনোবল ফেরানোর জন্য করেছিল- ভাইজান বললেন পরে।  

ইতি মধ্যে উনি আসবার আগে আমরা রেডিওতে শুনলাম 
আমি মেজর জিয়া বলছি সেই 
অমোঘ বাণী-
সাধীনতা যুদ্ধে ঝাপিযে পরার আদেশ 

আজ মনের সেই সৃতিতে বার বার ভেসে উঠে সেই বজ্র কঠিন আওয়াজ 

আজও মনে পরে সেই আহ্বান কি ভাবে দিক নির্দেশনা দিয়ে ছিল - ইপিয়ার , পুলিশ, আর্মির  মানুষদের - আর ঠিক  তার পর পরেই মেজর খালেদ এর আগমন। 

সেদিন সেই অল্প বয়েসে যা দেখেছিলাম 
জনগণ কিভাবে ইস্ট বেঙ্গলের মানুষ গুলোকে আপ্পায়ন করেছিল, তাদের উপর কি পরিমান আস্থা, কি পরিমান সাহস সেই অল্প কয়েক শ সেনানী যুগিয়েছিল - অবিশ্বাস্য। 

তা দেখেসেই নিজের অজান্তে নিজে নিজে প্রতিগা করলাম যখন বড় হব 
আমিও ইস্ট বেঙ্গলে যোগদান করব.........
চলবে।........

16 February 2015

OUT OF BOUND -নিষিদ্ধ যাতায়াত

নিষিদ্ধ যাতায়াত 
১৬ /২/১৫

১৯৭২ সালের এপ্রিল মাসে শোয়েব ও শাহীন মালনিছড়া চা বাগানের উল্টা পাশের এক নিভ্র্ত পাহাড়ি পথে হাটতে যেয়ে হোচট খেয়ে আবিষ্কার করলো - একটা ১৯৭১ সালের অব্যহৃত গোলা - শাহীন - তামজিদ শাহীন নিজের অজান্তে হারিয়ে গেল সেই একাত্তুরের অগ্নিঝরা দিন গুলোতে। 
বি বাড়িয়া থেকে কপর্দকহীন অবস্তায় কোনো রকমে জান নিয়ে পালাতে হয়েছিল সম্পূর্ণ পরিবার নিয়ে - রাতের অন্ধকারে- বিভীষিকাময় আমাবস্সা রাত- হাজার হাজার মানুষের ঢল - নিখিপ্ত্র বিস্তৃত যেন এক মহা কাফেলা ; জান , প্রাণ নিয়ে ভাগছে - ভাগছে কোথায়  - অগস্ত যাত্রা। 
''এ তুফান ভারী দিতে হবে পারি , কান্ডারী হুশিয়ার।'' রাত গভীর - হাটার শেষ নাই , ভয়, কামানের গর্জন,তৃষ্ণা,ভীতি,কালো আধার - না জানা গন্তব্যে যাত্রা - শাহীন মনে মনে ডাকছে আল্লাহ কে আর উচ্চারণ করছে ''লা ইলাহা। ....জোয়ালেমিন " .
পিছনে থেকে ধাওয়া যারা রত ওদের মুখেও একই নাম - ইয়া আলী, আল্লাহ হু একবার। ..ধরনী প্রকম্পিত - এত বড় ব্যাপক প্রকট আওয়াজ আর জীবনেও শুনি নি ওরা। 

পথ তো আর ফুরায় না- ক্লান্ত - ক্ষুদার্থ - তৃষ্ণার্থ - ভয়ে বিহ্বল এক ১০ বছরের বালক সে শাহীন।
চোখে তার ভীতি, চিন্তিত, শুষ্ক কন্ঠনালী - মুখ্থেকে কথা বের হচ্ছে না তার আর; রাত আরো গভীর হলো - পাঘাচং নামক এক ইস্টিসন এর  নিকট এক গ্রামে এক  বাড়ির বাংলো ঘরের পাশেই ক্লান্ত অবসন্ন্ অবস্থায় সবাই আর এগুতে পারল না।  গুগ্গলে সেদিন হিসেব করে দেখলো  যে এক রাতে জীবনে এই প্রথম ১৮.৭ কিলোমিটার হাটল ওরা।  প্রকট থেকে প্রকটতর হতে  থাকলো কামের গোলার  আওয়াজ।  চমকে চমকে উঠ্থে থাকলো ঘুম থেকে, বিচুলিতে, খোলা আকাশের নিচে রাত্রি যাপন - এক ভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা।  না বালিশ , না চাদর, না পরিছন্ন ঘর, এক তুফান , এক ঝর, এক ভয়ঙ্কর আওয়াজের তান্ধপতায় জীবন কেমন এক দিনের ব্যবধানে ছিন্ন বিছিন্ন একা কার.............

পায়ের ফোস্কা, ব্যাথা , পা গুলো ফুলে জুতায় আর ঢুকে না - মুজা গুলোও পড়ার মত রইলো ন, কন্ঠ শব্দবিহীন, ক্লান্তিতে কাতর শাহীন - সকালের সুরজের আলোতে  ফেল ফেল করে তাকিয়ে দেখছে তার চার পাশের পরিতক্ততা - কিংকর্তব্য বিমুড়ো।  জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের অযাচিত অবতারণা। .........................

শোয়েব এর পাশে কখন যে এসে দাড়িয়ে আছে রাজু দত্ত - শাহীনের  নতুন বন্ধু - নতুন সাইকেল চালাবার সংঘী - ভাবছে ইশ যদি একটা সাইকেল থাকত।  এত দুর্গম পথ পরিক্রমণ করতে হতো না পায়দল। .............চলবে। ...





14 February 2015

TWO OF MY FAVOURITE DISHES







PHOTOGRAPHED BY IMRAN CHOWDHURY 



Out of Bound - নিষিদ্ধ যাতায়াত

নিষিদ্ধ যাতায়াত 

মহা প্রলয়ের আমি রণ ক্লান্ত - আমি সেই দিন হব শান্ত যবে উথপিরিতের ক্রন্দন রোল আকাশে বাতাসে রণিবে না। ....
হঠাত দুপুর বেলা দরজায় নক - খুলে দেখি সদা হাস্সজল ভাইজান দাড়িয়ে আছে। ...মেঘলা আকাশ - নিস্তব্দ সম্পূর্ণ বাসা - সায় দিপ্রহরের দিবা নিদ্রায় মগ্ন;

চারিদিকে থম থমে ভাব - উত্তপ্ত মহাসড়ক - চারিদিকে চলছে মিছিল মিটিং ভাংচুর বিক্ষিপ্ত জনগণ।  ১৯৪৭ সালের মসুলমান পাকিস্তানিদের আর সহ্য করা সম্ভব নয়। 

দেশ -জাতি- সব একই সুতায় বাধা - এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম ; 
বিশাল আওয়াজ করে গর্জে উঠলো সবের জেট - প্রকম্পিত ধরনী। 

নিজের দেশের বাসিন্দাদের তারা বোমা মারছে আকাশ থেকে ? 

২৫ শে মার্চ সেই কালো রাত। ...বিভীষিকা - নির্মম হ্ত্তাযোগ্য - ইতিহাসের বর্বরতম অধ্যায় 
নিরীহ - রিক্সাচালক, দিন মজুর, ফুটপাথের নিদ্রারত মানুষকে নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ,জালিয়ে, পুড়িয়ে দেয়া এ কেমন রাষ্ট্র

নিরীহ হাজার মানুষের কাফেলা ভৈরব বাজার ব্রিজ পার হয়ে পায়ে হেটে হেটে  , আবাল ,বৃদ্ধা, শিশু, আসছে এ যেন এক জন সমুদ্দ্র। .......সাধীনতা সংগ্রাম শুরু ???

শেখ মুজিবের সেই বজ্র কন্ঠ , সেই ব্যারিটন আওয়াজ সেই আহ্বান আকাশে বাতাসে প্রকম্পিত। ....
 প্রথম এবং শেষ আহবান। 

গর্জে উঠা সে ফাইটার প্লেন বোমা মেরে ব্রাহ্মনবারিয়া শহর টাকে ৩৯ মিনিটে তছনছ করে দিয়েছিল সেই এপ্রিলের গোধলিতে । ...আজ ৪৩ বছর পর  মনের কানে সেই আওয়াজ ভেসে আসে ,,,,
আজ  ও শিহরণ উপলব্ধি করি মেরুদন্ডে।.....

চলবে। .......





out of bound

উত্তর বঙ্গে কন কনে ঠান্ডা - জানুয়ারির ক্ষেতলাল এর জমিনে শিশিরের সাথে ঘাস গুলো লুকোচরি খেলছে সেই কুয়াশা স্নাত সকালে। ......প্রহরীর নিরব উপস্স্থিতে ঘুম ভেঙ্গে জেগে উঠল....



শীতের আমেজে এক অনাবিল প্রশান্তি, সুরজো তা মেঘের আড়াল থেকে উকি দিয়ে আবার কেমন যেন লজ্জায় লুকিয়ে যায় নব বধুর মত শরমিন্দা হয়ে......



অসংলগ্ন ভাবনা, রাজধানীতে ফেলা আসা সেই সুশ্র মুখের প্রতিমা টাকে মন থেকে কোনো ভাবেই সরাতে পারছে না। ধানমন্ডি চার নম্বর রোডের টক অব টি টাউন রেস্তরাতে চায়ের কাপে চুমুক রত সেই কমলা লেবুর মত প্রস্ফুফিত লাল লিপ স্টিক দেওয়া ঠোট গুলো বার বার বসে উঠছে মনের বারান্দায়।

কি জীবন থেকে আর কি জীবন দুই দিনের ব্যবধানে - হার কাপানো শীত, অর্ধভেজা ১৯৪৫ সালের সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার এ ব্যবহৃত কাপড়ের তাবু - আর কোথায় নিওন বাতির আলোতে প্রজ্জলিত রাতের সেই হাত হাতে হাত ধরে অপরের সানিধ্যে হারিয়ে যাওয়া। ......কোলাহলে স্পর্শের নিরবতা। (বন্ধুর ভয় কি জানি ও না দেখে ফেলে তার একমাত্র বোনের সাথে।....) কি বিচিত্র যে জীবন।

জরুরি তলব - রাত একটা বাজে শুরু গল্পের কাগুজে যুদ্ধ। .................শুরু হবে বড় লম্বা লম্বা কঠিন সকল ইংরাজী শব্দের মিনাবাজার।

কে কত কঠিন শব্দ ব্যবহার করতে যেন তারই প্রতিযোগিতা - জীবন কেমন যেন ছকে বাধা এক বিরাট কানভাস - খালি, এলোমেলো রঙ্গে সাজানো এক তা অসম্পূর্ণ একটা পেন্টিং।..........

গরিব, অশিক্ষিত, গোবেচারা জাতীয় রিক্সাচালক, বাস ড্রাইভার অথবা কোনো অথবা দেখলেই কলোনিয়াল একসেন্টে ইংরেজি ভাষায় কত বলা - কেমন যেন বেমানান - অসংলগ্ন, প্রগলভতা - বাতুলতা - পমপাস বিচিত্র এক জীবন . পানের দোকানে দড়ি মাথায় প্রজ্জলিত আগুনে সিগারেট ধরাতে ধরাতে ইংরেজিতে কথোপকথন - হাস্যপদ বৈ আর কি।

বিষন্নতায় স্বপ্ন - উদ্দীয়প্নায় দেশ গড়ার অভিপ্রায় - ছেলে খেলা সম অবাঞ্চনীয় শপথ। নিগৃহতায় এক কেমন উন্নাসিক শ্রেণী বৈষম্য - তবুও চোখ ভরা স্বপ্ন বিশাল যমুনা নদীর অববাহিকার মত ব্যাপক।

কাক ডাকা ভোর অবধি কাচ্চু খেলা সুরঙ্গ কাটা দহলিজে। এ যেন এক ভিন্ন উনুভুতি - সুরঙ্গ বসে আরামে হার কাপানো শীতে চা খাওয়া - এক বিশাল সৃতি

মাসুদ রানা বইতে পরা লুকাস বব্রাডি র মত এদ্ভেন্চারাস জীবন যাপন - ঢাল নাই তলোয়ার নাই নিধিরাম সর্দার

ডাক্তার দেখানোর নাম শহরে।...এক লাজুক মহিলার হাতের ছোট মাছের চর্চরি, কাছে দেকে নিয়ে পাশে বসিয়ে অ্যালবাম দেখা। ...............অমর এক নিষিদ্ধ যোগযোগের উন্মোচন। ...............

জীবন বদলানোর নাটকের প্রথম অধ্যায়। ..............ব্রাকেটে পধাঘাথ - প্রম্পটারের প্রম্প্তিং ভুলে

নিজশ্হ এক গতিতে জীবন নাটক রচনা করা - এক টা ছোট খাট বিপ্লব



অনেক পলি জমেছে ঘাগট নদীটির তীরে , হিলি থেকে হিমাচল পর্যন্ত বিস্তৃত শীতের সেই মহা ঠান্ডা কে নির্ধিধায় বিন্ধুমাত্র ভয় না পেয়ে এম্বুস, রেইড, পেট্রল করে সময় গুলো কেমনে যে অতিক্রান্ত হয়ে গেল।


প্রতাবর্তন সভ্যতায় - চুনা গেরু আর - ঘাস কাটা - বড় বড় মটিভেসন এর ক্লাস থেকে জাতীয় সংহতি, নির্বাচন থেকে শুরু করে ভোট চুরি, সীল মারা ব্যালট পেপারে , ঝর তুফানে নেই কোন সময় নিজেকে নিয়ে ভাববার - যেন এক প্রলয়, চব্বিশ ঘন্টার জন্য শ্রম দেওয়া বিংশ শতাব্দীর এক হাবশী গোলাম।

কাটা চামুচে ইলিশ মাছ আর ডালের ঝোলে একাকার - আর মাঝে হাসি গান মাঝে মাঝে কেরু কোম্পানির কাঁচের বোতলের আবার কখনো জনি ওয়াকার এর লাল লেবেল এ দু পেগ পান করে নিজেকে বাংলার শেষ নবাব বা ডায়মন্ড অন হার নেকেড ফ্লেশের হিরো আর মত আচরণ - আনন্দ, ফুর্তি, ভয়,কারিয়ার - এসিআর একাকার। বিচিত্র এক জীবন - ঢাকা পদাতিকের এক মঞ্চ নাটকের এক একজন খল নায়ক - বেইলি রোডের থিয়েটার পাড়ার এক সম্ভাবনাময় উঠতি অভিনেতা- প্রচুর সম্ভাবনা তার অপ্পেখায় বসে আছে পথ চেয়ে ফাগুনের গান গেয়ে।

এই জীবনের পাতায় পাতায় যা লেখা। ...ভুল সবি ভুল। .........শুনতে শুনতে সময় নামক দানব তাকে ঘড়ির কাটার সাথে বেধে রাখার অপপ্রায়াস।

অর্থনীতিটা সকল সময় মন্দা - জীবন নাটকের যুবক সে উচ্চাভিলাষী, উন্মুক্ত- অবারিত ঔন্মেচিত দরজা - হাজারী দরজা প্রাসাদের মত - মুর্শিদাবাদের নবাবের সেই প্রাচীন প্রাসাদের মত অবারিত হাজার দরজা আলিঙ্গন দিতে হাত বাড়িয়ে দিয়ে অপ্পেখায়। ....................

আফসানা পেআর কি.................অনুপ জালোটার গুরু গম্ভীর গজালের সুরে বৈকালীন চা পান আর দৌড়ে যোগদান প্লটনে।

নজরুলের বাঙালি পল্টনের কবিতায় উনুপ্রানিত হয়ে যোগদান পল্টনে।....এই এক ভিন্ন জগত - সম্পূর্ণ ভিন্ন - সহমর্মিতা, উনুভুতিতে সজাগ, স্নেহ আর ভিন্ন ধরনের হাম্দর্দি - মনে করিয়ে দিত বি , বাড়িয়া টি এ রোডের সেই বিশাল সাইন বোর্ড ''হামদর্দ দাওয়াখানা '' টার কথা।

দামামা আর বাজে না , বাজে কানে দায়িত্ব নামক এক বোঝা - মনে মনে সে বলে ''কামাল তু নে কামাল কিয়া ভাই, হো হো হো কামাল তু নে কামাল কিয়া ভাই''

মহা প্রলয়ের আমি। ..................এক ভিম ভাসমান টর্পেডো মাইন। ........................


******


শাহীন ; তামজিদ শাহীন ৭০- ৭২ ইঞ্চি প্রায় লম্বা - চিসেল্ড ফেস , প্রতুত্পন্নমতিতায় উত্কৃষ্ট ২৫ বছরের ফুল অফ লাইফ এক বক্তিত্ব , সদা হাস্সজল , জীবন সম্পর্কে উদাসীন, পড়ুয়া - আড্ডাবাজ। জন হৈতশি সদা প্রস্তুত এক যুবক। এস্পীয়নাজ, সিক্রেট সার্ভিস, গোয়েন্দাগিরি - কোসা নোস্ত্রা এশিয়া বইয়ের এক নিবির পাঠক। বিচিত্রতায় পরিপূর্ণ এক সমাহার - সকলেই যেন কেমন সন্ধেহপ্রবনতায় সন্দেহ বিলাসী।

জীবন যেন একটা কৌতুক, হাসি, গল্প ও আড্ডা। প্রমোদে ঢালিয়া দিনু মন। ...............

ইতিহাস - যোগ্রাফি - সন কাল - তারিখ - বন্ধুরা ভাবতো সবই মনগড়া। 

বেশ বৌরী শৈশব কাল - অনিশ্চিত দিন, রাত,কাল - স্বাধীনতা যুদ্ধ ; শরণার্থী শিবিরের দিনগুলো, মুক্তিযুদ্ধেযোগদান করার জন্য প্রস্তুত সে ১১ বছর বয়েস থেকেই - হঠাথ স্বাধীন।..মুক্ত মাতৃভূমি, ''জননী জন্মভূমি স্বর্গাদপি গরীয়সী''।

বেবাগী কাল অতিক্রম, অনিশ্চয়তা, রাত ; আধারের মাঝে যুদ্ধ দামামা, কর্ণদয় আওয়াজের প্রচন্ডতায় নেশাগ্রস্থ প্রায় হঠাথ নিস্তব্দতা মানসিক প্রশান্তিতে বিঘ্ন; তারপর ও জীবন কে আবার রেল লাইনের মত সমান্তরালে ফিরেয়ে আনা - বিদ্রোহী মন কে খাচায় - খোওয়ারয়ে বন্দিত্ব দেওয়া কি সহজ।

জীবনের সাময়িক ছন্দ পতন - প্রতিবাদ করার ইচ্ছা - প্রাপ্তি প্রতিবাদে, কৈশোরে বিভিন্ন সার্থন্নেশী মহলের বাম আর ডান পন্থীতে দিক্ষায়িত করিবার প্রয়াস - অপপ্রয়াস - করে দিয়েছিল অনেক সজাগ - বুর্জুয়া, পেটি বর্জুয়া আর প্রলেটারিয়াত সহ ক্লার্জি দের শ্রেণী আর পুজির বিকাশ - অবকাশের অহেতুক ভাবনা। রাজনীতিতে বলির পাঠা বানানোর পূর্বসুরীদের অপক্ক অপপ্রায়স। নিজের স্বার্থ চরিথার্ত করার সোপান কিশোর।


ভাবিয়ে তুলল অনেক দুরভাবনা - অসময়পজিগী , জীবন নাটকের দ্বিতীয় অধ্যায় এর প্রথম পর্ব কেমন যেন তট্রাফিক জ্যাম এ অলস স্লথ কচ্ছপের গতিতে অগ্রসর। 

বিজ্ঞান ছাড়া জীবনে আর কোনো নৌকা চালানো সম্ভব নয়, বাকি সব কেরানি হবার বিষয়। বিজ্ঞান ছাড়া বালক তুমি অজ্ঞান। কি নিছক বোকামি। বিজ্ঞান, একটা চাকরি, দুই থেকে তিন তা ধাপ বাড়িয়ে বলে নিজেকে পরিচয় দেওয়া - একটা বাড়ি, এক জোড়া ছেলেমেয়ে, অতপর চল্লিশ হওয়ার সাথে সাথে এক পা কবরে আর এক পা বাইরে নিয়ে আর ইবাদথ বন্দেগী করে জীবন চালিয়ে যাওয়া - একদিন পটল তোলা ; ইহাই জীবনের প্রচলিত এস্পারেষণ। 

গোবেচরা - - শালীন - নিশ্চল নিশ্চুপ আপনার মাঝে আপনি পুরিবো গন্ধ বিধুর ধুপ.....সমাজের এক টা অবকাঠামোর একজন নাগরিক, আলেকজান্ডার পোপের '' হ্যাপী দি ম্যান '' হয়ে অন্তর্ধান করাটাই যেন শ্রেয়।

তামজিদ ; ভেবেছিনু মন শ্রী বৃন্দবন বারেক আসিবো ফিরে।............

প্রতয়ী, কঠোর মনোভাবাপন্ন রা অনেক দূর যায়। ...বাকিরা থাকে দিয়ে সাইড লাইন য়ে

৭ই অগাস্ট (সাল টা গোপনীয়তার জন্য বলা যাবে না) সাল বৃষ্টিস্নাত এক বিকেলে আগমন তামজিদ শাহিনের জীবনে এক নতুন অধ্যায়। 

ঢাকা পদাতিকের - নব্য উপহার - এক নতুন মঞ্চ নাটকের মঞ্চায়ন।

নাটকের আসল প্রটাগনিস্ট - নাম তার শাহীন, তামজিদ শাহীন
Pen is mightier than the Gossip; It clears all the air.Pen is mightier than the Gossip; It clears all the air.

বিষন্নতায় সে

বিষন্নতায় সে 

তোমারা আজ কোথায় আমায় ফেলে একাকী 

এভাবেই কাটাব এই জীবন বেবাগী। 
আমায় তোমরা বানালে বলির পাঠা 
সমগ্র জাতি দেয় আমাদের গুষ্টিকে খোটা। 

আঙ্গুল কলা থেকে সবাই তোমরা আজ বটগাছ 

আমি হেতায় বিদেশে বাস করছি হয়ে পরগাছ 

না করে কেই মোর সাথে দেখা 
 কোথায় খাম্বা, লম্বা, মজু আর খোকা 
তোমারা আজ কোথায় আমায় ফেলে একাকী 
টায়ারে আজকাল নাই হাওয়া 
রেব,পুলিশ,ডিবি সবাই করছে মোরে ধাওয়া 

আঙ্গুল কলা থেকে সবাই তোমরা আজ বটগাছ 

আমি হেতায় বিদেশে বাস করছি হয়ে পরগাছ

কালোটাকায় আমি আজ এক বিশাল পাহাড় 

পয়সা আছে তাই তো আমি করি না তোয়াক্কা তাহার 

মা , ভাই আর বাকিরা যাক জাহান্নামে 
 আমিই মধ্য মণি ,আমায় ওরা করে ভক্তি ক্ত সালামে ও প্রণামে 

12 February 2015

COMMENTS I MADE


MY COMMENTS SEEING THE PICTURE OF LEGENDARY COLONEL ZIAUDDING BIR UTTAM


COLONEL ZIAUDDIN BU : an elusive myth a legend and a mysterious comrade who choose to lead a proletariat lifestyle all for his conviction and believe and perspective.....wish he writes his quest and his life and his struggle to throw it all away for his conviction. Nice to see his picture ; never seen him before, My salute to these HEROES of my motherland.....





A WRITE UP ABOUT INDIAN SLAVERY AS POLITICIANS ARE TRY ING TO POTRAIT. ....

Mir jafar was he really a mir jafar ??? Who would not have betrayed an idiot like nabab sirajudowla. .. its the queentessential Bengali hindu / persi/benias & historians who needed a scape goat to cover their own act of treachery and betrayals to bring the east india company into bengal.... to my understanding both the nabab & firingi East India company were foreign rulers ... The plight of the people of bengal never changed.

Bangladeshi politicians are so prudent ....

If india wanted bangladesh .... They could have had it 72. It is we who for grabbing the power ....started begging to india or Pakistan or usa or China ...and ready to sign agreement of slavery ... Yet again Mr Siddique is a tested beneficiary of india since 1971 ...its coming rich from him. Just wait soon he will go to Delhi and apologise to his beloved PRANAB DADA to reinstate his monthly masoara.... This is all politics ...to fool the people of bengal like they did in 1757 onwards




Religions : 
We are all enslaved by these philosophy of religions ..... It plays a very significant role but are we really into it... all of them tells the same line of story and asks everyone abide by it .... but we all bend and pick and choose and create facade of social musk to show look at me ..... I am the champion of the lot.... but in reality ..... who is going to manage the mammoth database to keep the records and tick the boxes and write the ACR.... all a bit of a beggars belief to me..... correct me not neither take my words for granted. .. This is my view ...I stand by it and I don't no want to follow my perspective. ...I m allowed to voice my views.... don't like following the crowd... I like standing alone on the side and say what I feel ....



আমি সেই বিজয় দেখেছিলাম 

আমিও দেখেছিলাম সেই শুভক্ষণ বিজয়ের ক্ষন 
গলা শুকানো, স্মিত কন্ঠ, উল্লাসে বিহ্বল - আনন্দ অশ্রু সিক্ত নেত্র যখন 

আমি চিত্কার বলেছিলাম জয় বাংলা 
জয় বাংলা আমার পরিচয় 
জয় বাংলা আমার সত্তা 
জয় বাংলা আমার উল্লাস 

আমিও ভারতের শরণার্থী শিবিরে দেখেছিলাম এই বিজয়
মুক্তিযোদ্ধা পিতার ঘাম - মুক্তিযোদ্ধা ভাইয়ের রক্ত সিক্ত সেই বিজয়

আমিও ছিলাম সেই বিজয়ের সাক্ষী
বিজয়ের অতন্দ্র রক্ষী


Featured post

'' পাহাড়ে কয়েক টা দিন ''

'' পাহাড়ে কয়েক টা দিন '' এ প্রিল ১৯৭৯ রাঙামাটি রিজার্ভ বাজারের লন্চ ঘাটে গফুর হাজীর লঞ্চে উঠলাম : নিজাম ; লন্চ মাল...