16 July 2012

SON OF A FRIEND CAME TO SAY ''BYE''



* * * বিদায়  * * * 



হঠাত করে সোমবার রাতে অঙ্গন ফোন করে বললো, আন্কেল আপনি কি আগামী কাল রেস্তরাতে থাকবেন দিনের বেলা .

আমি আসতে চাই.....বলিলাম কেন এত জরীরী আসার উদ্দেশ ; উত্তরে ও বলিল , যে সে বুধবার সকালে ০৯;০০ ঘটিকায় বাংলাদেশ রওনা হবে তাই বিদায় নিতে আসছে আমার নিকট থেকে শুনে তো আমি একটু দুঃক্ষ পেলাম ; যে বাচ্চা ছেলেটা আসল আবার চলেও যাবে ;
যাহোক, যথারীতি ও আসল দুপুর বেলা , 

ও আসার পর বেশ ভালই লাগলো; আমি আসলে ''অঙ্গন'' কে বেশ পছন্দ করি মনে হয় - একসাথে একটা বাইরের রেস্তরাতে মধ্যান্ন ভোজ করিলাম ও অনেক অনেক গল্প করলাম; অনেক খেপালাম ওকে ওর কিপটা গিরি নিয়ে....রেজা কে ও হার মানিয়েয়ছে- ওর কিপ্টা মি .....অনেক হাসলাম. খোচা মারলাম,ভবিষ্যত নিয়ে অনেক পরিকল্পনা দিয়ে দিলাম; ইত্যাদি প্রভৃতি সম্পর্কে অনেক পারস্পরিক আলোচনা করিলাম- দিপাখ্খিক বিষয়াদি নিয়ে. 

বিদায় দিতে বেশ কষ্ট হলো; বৃষ্টি তে ভিজে ছাতি মাথায় নিয়ে - ওকে রেল ইস্টিশন পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসলাম যা নাকি আমি সচর আচর করি না , বেচারা ছেলেটা - সাফওয়ান ও সাবরিনার জন্য চকলেট ও আমার জন্য একটা খুবই সুন্দর জামা নিয়ে এসেছে আর আমার সাথে দেখা করার জন্য প্রায় পঞ্চাশ টাকা খরচ করে ফেলেছে প্লাস উপঢৌকন এর দাম. 


বিলাতে আসার পর থেকেই আমি ছিলাম ওর লোকাল গার্ডিয়ান - থাকার জায়গা বন্দোবস্ত , একটা চাকরি যোগার করা, খাওয়ার ব্যবস্তা ও ওর ছুটির সময় আমার ওখানে থাকা ও কাজ দেওয়া সবি আমার করতে হয়েছিল - এইসব না পেলে বেশ কষ্ট কত .~~~ এই ভাবেই ঘনিষ্টতা .

হঠাত উপলব্ধি করলাম ; বাচ্চা ছেলেটা এত অল্প বয়েসে সংসার নিয়ে কত কিছু ভাবছে; কত ধরনের চিন্তা, মা, দুটো বোন , বাড়ি করা, উপার্জোন করা - সবাই কে সমাজে প্রতিষ্টিত করা  - সব ই করতে হবে এই ছেলে টাকে এত অল্প বয়েসে.... ওর জন্য খারাপ লাগলো, খারাপ লাগলো কেন যে আজও  আমাদের দেশে একজন মানুষ আরেক জন মানুষকে শুধু শুধু হত্যা করে, আমরা এখনো এত বর্বর কেন............উত্তর টা অন্নুত্তরই রয়ে গেলো...ভাবলাম কেন এই শুধু শুধু জীবন বলি, আর কত দিন চলবে এই ধরনের নিসন্গ্ষতা , বর্বরতা, আমাদের হাতে অস্ত্র দেওয়া টাই মহা ভুল - আমরা বার বার প্রমান করিলাম - আমরা অস্ত্র ও ঝুদ্ধ বিদ্যায় ভালো না...আমরা কেবল নিজেদেরকেই হত্যা করতে পারদর্শী, শত্রু দেখলে লেজ গুটিয়ে পলাই আর নিজেদের মাঝে হত্যা ঘটিয়ে ....খুব মহাবীর মনে করি ( ১৭৫৭.১৮৫৭,১৯৪৬,১৯৭১.১৯৭৫.১৯৭৭,১৯৮১,২০০৯ একই গল্পের পুনরাবৃত্তি বারবার .....)

ওর মত বয়েসে আমরা তো ছিলাম একে বারে ছন্নছাড়া , ছিলনা কোনো চিন্তা,ভাবনা,পরিবারের চাপ, রোজগার করা ও সংসার চালানো কিছুই ছিলনা আমাদের একদম - আর ওই ছেলেটার কত চাপ --- ভাবলেই বিষন্ন লাগে ...তাই না...........

আরো ভাবলাম ; মনের অজান্তে আমি মনে হয় অঙ্গন কে বেশ পছন্দ করি আর হঠাত বিদায় নেয় টা তে আমি কেমন যেন মনক্ষুন্ন,দুক্ষিত, 

জীবনে চলার পথে অনেক মানুষ আসে আর যায়; কেই কেই মনের চিলেকোঠায় থেকে যায় সৃতি গুলোকে প্রহরা দেবার জন্য. অঙ্গন ও হইতো এই রকম কেই হয়ে থেকে যাবে মম স্র্তির চিলেকোঠায় .....হঠাত হঠাত উকি মেরে উঠবে মেঘে দেখা সুরজো যেমন উকি দিয়ে ... আবার লুকিয়ে যায় ................আশা করি অঙ্গন ভালো করুক জীবন এ ......উন্নতি ও তারাক্কি হইক ওর উপাসনা ......আমি একজন হিতাখান্খি হিসেবে এই কামনা  করি........

Post a Comment